প্রিন্ট এর তারিখঃ Oct 17, 2026 || প্রকাশের তারিখঃ Nov 3, 2025
চুপ্পুর হাতে জুলাই সনদের বায়াত নেওয়ার চেয়ে নদীতে ডুবে মরে যাওয়া ভালো-হাসনাত আবদুল্লাহ
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, “চুপ্পুর হাত থেকে জুলাই সনদের বায়াত নেওয়ার চেয়ে নদীতে ডুবে মরে যাওয়া ভালো। জুলাই সনদে ড. ইউনুসকে স্বাক্ষর করতে হবে। চুপ্পুকে দিয়ে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করালে তা হবে শহীদদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।”
তিনি আরও বলেন, “একটি মহল চুপ্পুকে দিয়ে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করানোর জন্য ব্যস্ত হয়ে উঠেছে। এটি চিন্তা করলেই লজ্জা, ঘৃণা ও বেদনায় মন ভরে যায়। ঢাকার পরে ভোলায় সবচেয়ে বেশি শহীদ হয়েছে। শহীদের ভূমি ভোলার উন্নয়নের জন্য আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করব। ভোলা-বরিশাল সেতুর ক্ষেত্রেও এনসিপি সব ধরনের সহায়তা দেবে। আন্দোলন-সংগ্রামেও আমরা পাশে থাকব।”
রোববার (২ নভেম্বর) ভোলা জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এনসিপি’র জেলা সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে তিনি বলেন, “একটি গ্রুপ বলছে জুলাই সনদের প্রয়োজন নেই। কিছুদিন পর বলবে ২৪ সালেরও প্রয়োজন ছিল না, শুধু নির্বাচন দরকার। ভোলায় আবার শুনলাম নির্বাচন ঘিরে উত্তপ্ত অবস্থা তৈরি হয়েছে। ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ জুলাই যোদ্ধাদের অন্যতম সম্মুখ যোদ্ধা। তাকে নিয়ে কুৎসা রটনা ও হামলা করা শোভন নয়। সবাইকে সহনশীল ভূমিকা নিতে হবে।”
হাসনাত আব্দুল্লাহ আরও বলেন, “বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন চায়। আশা করি তারা সেই অবস্থান থেকে ফিরে এসে আলোচনার টেবিলে আসবে। গত ১৭ বছরে বিএনপি-জামায়াতের অনেক নেতাকর্মী ত্যাগ স্বীকার করেছেন—তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা উচিত।”
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বরিশাল বিভাগীয় সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন, দক্ষিণাঞ্চলীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা আলম মিতু। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপি’র যুগ্ম সদস্য সচিব ফয়সাল মাহমুদ শান্ত, দক্ষিণ আঞ্চলিক কেন্দ্রীয় সংগঠক আব্দুল্লাহ আল মামুন ফয়সাল, যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আরিফুর রহমান তুহিন, কেন্দ্রীয় সদস্য রফিকুল ইসলাম কনক, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মেজবা কামাল ও কেন্দ্রীয় সদস্য আবু সাঈদ মুসা।
সভায় সভাপতিত্ব করেন ভোলা জেলা প্রধান সমন্বয়কারী মেহেদী হাসান শরীফ এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা যুগ্ম সমন্বয়কারী মাকসুদুর রহমান। জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।