মেঘনা দর্পন ডেস্কঃ
তরুণ নেতৃত্বাধীন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অবশেষে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাবিত নতুন প্রতীক ‘শাপলা কলি’ গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
রবিবার (২ নভেম্বর) বিকেলে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে বৈঠক শেষে দলের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সাংবাদিকদের জানান, এনসিপি এই প্রতীকেই আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। তিনি বলেন, “আগামী নির্বাচনে ধানের শীষের সঙ্গে শাপলা কলির প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।”
এদিন পাটওয়ারীর নেতৃত্বে দলটির একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন ভবনে সিইসির সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক খালে খালেদ সাইফুল্লাহ, যুগ্ম সদস্য সচিব জহিরুল ইসলাম মুসা এবং নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ।
এর আগে গত ৩০ অক্টোবর ইসি নতুন প্রতীকের তালিকা সংশোধন করে ‘শাপলা কলি’ যুক্ত করে গেজেট প্রকাশ করে। জুলাইয়ে গঠিত এই তরুণদের দলটির প্রতীক ইস্যুতে কমিশন কিছুটা ছাড় দিয়েই প্রতীকটি যুক্ত করে।
প্রথমে এনসিপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, তারা ‘শাপলা কলি’ নয়, শুধুমাত্র ‘শাপলা’ প্রতীক চায়। দলের কিছু নেতার অভিযোগ ছিল—নতুন প্রতীকের মাধ্যমে তাদের ছোট করে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
প্রতীক ইস্যুতে আগেও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছিলেন, “আমরা শাপলার প্রশ্নে আপসহীন, শাপলাই আমাদের প্রতীক।”
গত ২২ জুন এনসিপি নিবন্ধনের জন্য আবেদন করে এবং তিনটি প্রতীক প্রস্তাব দেয়—শাপলা, কলম ও মোবাইল ফোন। পরে তারা সাদা বা লাল শাপলা প্রতীক চেয়ে আবেদন সংশোধন করে।
২৩ সেপ্টেম্বর ইসি প্রতীকের সংখ্যা ৬৯ থেকে বাড়িয়ে ১১৫ করলেও শাপলাকে অন্তর্ভুক্ত করেনি। পরে কমিশনের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে এনসিপি। ৩০ সেপ্টেম্বর তাদের জানানো হয়, অনুমোদিত প্রতীকগুলোর মধ্য থেকে একটি বেছে নিতে হবে।
শেষ পর্যন্ত ইসির দেওয়া নতুন সময়সীমার মধ্যে এনসিপি ‘শাপলা কলি’ প্রতীক গ্রহণের সিদ্ধান্ত জানায়।