নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর কেন্দ্রীয় মূখ্য সমন্বয়ক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, “গুলির ভয় না পেতে চাইলে, অনিয়ম-দুর্নীতি থেকে বাঁচতে চাইলে বিএনপির নেতাকর্মীরা এনসিপিতে চলে আসুন, আমরা আপনাদের সম্মান দেব।”
তিনি বলেন, “যারা বিগত বছরগুলোতে অন্যায়, নির্যাতন ও জুলুমের শিকার হয়েছেন, তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। বিএনপি-জামায়াতে নিরাপদ না মনে করলে, তারা এনসিপিতে ফিরে আসুক। এখন সময় এসেছে আওয়ামী লীগকে ‘না’ বলার।”
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাঙামাটির সুমিত রায় জিমনেসিয়ামে অনুষ্ঠিত এনসিপির তিন পার্বত্য জেলা—রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, “এনসিপির জন্ম রাজপথে। আগামীতে যাই ঘটুক, তার মঞ্চ হবে রাজপথ। বাংলাদেশের পরবর্তী নেতৃত্ব দেবে এনসিপি, এবং আগামী দশ বছরের মধ্যে এনসিপি সরকার গঠন করবে। যারা ব্যালটের পরিবর্তে বুলেটের প্রস্তুতি নিচ্ছে, জনগণ তাদের ব্যালটের মাধ্যমে জবাব দেবে।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা অস্ত্রের রাজনীতি, চাঁদাবাজির রাজনীতি চাই না। আগামীর ভোট হবে মাফিয়া, চাঁদাবাজ ও বুলেটের বিরুদ্ধে। যারা ব্যালটের চেয়ে বুলেটকে শক্তিশালী করেছে, তাদের বিচার হবে।”
এ সময় তিনি জোট রাজনীতির বিরোধিতা করে বলেন, “এনসিপি জোটে বিশ্বাসী নয়। আমরা নির্বাচনে সিট পুনর্বণ্টনে নয়, রাষ্ট্র পুনর্গঠনে বিশ্বাসী। টাকা, গুন্ডা বা পেশিশক্তি ছাড়া যদি আমরা পাঁচশ ভোটও পাই, সেটাই আমাদের জন্য বড় সাফল্য।”
সভায় সভাপতিত্ব করেন এনসিপি রাঙামাটি জেলার প্রধান সমন্বয়কারী বিপিন জ্যোতি চাকমা।
অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় যুগ্ম সমন্বয়কারী জুবাইরুল হাসান, বিভাগীয় সমন্বয়কারী এ এস এম সুজাউদ্দিন, পার্বত্য অঞ্চল তত্ত্বাবধায়ক ইমন ছৈয়দ, শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক কলিন চাকমা, বান্দরবানের প্রধান সমন্বয়কারী শহিদুর রহমান সোহেল এবং খাগড়াছড়ির প্রধান সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মনজিলা ঝুমা প্রমুখ।