.
আবু আব্দুল্লাহ ওয়াফি
প্রকাশ : Jan 21, 2026 ইং
অনলাইন সংস্করণ

গুজব ও বিতর্কের মুখে ডা. এস এম খালিদুজ্জামান: চিকিৎসা ক্ষেত্রে অবদান তুলে ধরলেন সহকর্মী


নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ও চিকিৎসক ডা. এস এম খালিদুজ্জামানকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা ও গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। এ প্রেক্ষাপটে তার চিকিৎসা ক্ষেত্রে অবদান ও যোগ্যতা তুলে ধরে বক্তব্য দিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ও ব্যথা বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আহাদ হোসেন।

ডা. আহাদ হোসেন তার লিখিত বক্তব্যে জানান, ডা. খালিদুজ্জামান তার ব্যাচমেট এবং তিনি বাংলাদেশে এমব্রায়োলজি বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনকারী অগ্রগামী ব্যক্তিদের একজন। ২০১৬–২০১৭ সালের দিকে তিনি যে এমব্রায়োলজি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন, সে সময় বাংলাদেশে এ ধরনের পূর্ণকালীন (রেসিডেন্সিয়াল) উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের নজির ছিল না।

তিনি বলেন, এমব্রায়োলজি ইনফার্টিলিটি চিকিৎসার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শাখা। দেশে যারা বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় কাজ করেন, তারা এ বিষয়ের গুরুত্ব সম্পর্কে অবগত। এর আগে বাংলাদেশে এ কাজে নিয়োজিত অধিকাংশ এমব্রায়োলজিস্ট প্রশিক্ষণভিত্তিকভাবে কাজ করতেন। ডা. খালিদুজ্জামানই প্রথম ব্যক্তি যিনি বিদেশে থেকে পূর্ণকালীনভাবে এই উচ্চতর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

ডা. আহাদ হোসেন আরও উল্লেখ করেন, ডা. খালিদুজ্জামানের অবদান রয়েছে অ্যাপোলো হাসপাতাল (বর্তমানে এভারকেয়ার), বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রথম টেস্টটিউব বেবি কার্যক্রমে। এসব প্রতিষ্ঠানে তার পেশাগত দক্ষতা ও ভূমিকা চিকিৎসা অঙ্গনে পরিচিত।

বিএমডিসির স্বীকৃতি প্রসঙ্গে ডা. আহাদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) সাধারণত দেশীয় ডিগ্রিগুলোর স্বীকৃতি দেয়। বিদেশি ডিগ্রির স্বীকৃতি মূলত সরকারি চাকরিতে পদোন্নতি ও প্রমোশনের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়। যারা প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন, তাদের ক্ষেত্রে বিএমডিসির স্বীকৃতি অনেক সময় অপরিহার্য নয়।

তিনি উদাহরণ টেনে বলেন, বহু আন্তর্জাতিক স্বীকৃত ডিগ্রি ও ফেলোশিপ রয়েছে, যেগুলোর বিএমডিসি স্বীকৃতি না থাকলেও চিকিৎসকরা দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। ডা. খালিদুজ্জামান শুরু থেকেই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকায় তার নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তার যোগ্যতা ও দক্ষতা সম্পর্কে অবগত ছিল।
ডা. আহাদ হোসেন অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিএমডিসির যে নোটিশকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং না জেনে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করা হচ্ছে। তবে এর ফলে সাধারণ মানুষ ডা. খালিদুজ্জামানের চিকিৎসা ক্ষেত্রে অবদান সম্পর্কে জানতে পেরেছে।

তিনি বলেন, “মানুষ আগে জানত তিনি ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী। এখন জানছে তিনি কোন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ, কোথা থেকে ডিগ্রি অর্জন করেছেন এবং দেশের চিকিৎসা ক্ষেত্রে তার অবদান কী।”

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স: হাসপাতালে ডা. কামরুল ইসলা

1

ইমরান খানের গল্পে অনুপ্রাণিত হয়ে এনসিপির সাফল্য কামনা জামায়া

2

বোরহানউদ্দিনে মোবাইল কোর্টের অভিযানে অবৈধ দখল ও যানবাহন পার্

3

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন প্রার্থী চূড়ান্তে বিএনপির স্থায়ী কমিটির

4

সর্বদলীয় প্রতিরোধ সমাবেশের ডাক ইনকিলাব মঞ্চের

5

জামায়াতে যোগদান করলেন সাবেক এমপি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব

6

চরফ্যাশনে দেয়াল নির্মাণ নিয়ে মসজিদ ও মাদ্রাসার দ্বন্দ্ব।

7

নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে দেড় লক্ষ পুলিশ সদস্য কাজ কর

8

জুলাইসহ সকল গণহত্যার বিচার ও জুলাই সনদের আইনি ভিত্তির দাবিতে

9

ঢাবি ভিসি ড. নিয়াজ আহমেদ খান ডেনমার্কে রাষ্ট্রদূত হচ্ছেন

10

বাংলাদেশ হবে ন্যায়ভিত্তিক ও সুশাসনের দেশ -নিজামুল হক নাঈম

11

‘আমি ভয়ও পাচ্ছি, কারণ ইসরায়েলিদের বিশ্বাস করি না’

12

দুই বছর কর্মস্থলে অনুপস্থিত নার্স, সরকারি আবাসনে স্বামীর দখল

13

জকসু নির্বাচনে শিবির সমর্থিত 'অদম্য জবিয়ান ঐক্য' প্যানেলকে ন

14

বান্দরবানে নাফাখুম ঝরনায় পড়ে পর্যটক নিখোঁজ

15

সমাজ গঠনে ধর্মীয় শিক্ষার গুরুত্ব

16

রাবিতে আন্তর্জাতিক সেমিনার অনুষ্ঠিত

17

একটি বিশেষ পক্ষের মন রক্ষার্থে জকসু নির্বাচন পেছানো হয়েছে’

18

ভোলায় নারী কর্মী কে গ্রেফতারের প্রতিবাদে জামায়াতের সংবাদ সম্

19

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে রায়ের পর মীর কাশেম আলীর মেয়ের আবেগঘন স্

20