আবু বকর আবির,
জবি প্রতিনিধি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার দুই দশক পর প্রথমবারের মতো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (জকসু) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ নির্বাচনকে ঘিরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী ও ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে।
প্রথমে চলতি বছরের ২৭ নভেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও আইনি জটিলতা ও নানাবিধ সীমাবদ্ধতার কারণে নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হচ্ছে না। গত ২৭ অক্টোবর জকসুর নীতিমালা অনুমোদনের পরপরই নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয় এবং ২ নভেম্বর ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। তবে এখনো পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক মতবিনিময় ও তফসিল ঘোষণা হয়নি। ফলে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট সময় নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে।
এই প্রেক্ষাপটে আজ ৪ নভেম্বর (মঙ্গলবার) বিশ্ববিদ্যালয় শাখা জাতীয় ছাত্রশক্তি ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে জকসু নির্বাচন আয়োজনের আহ্বান জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোস্তফা হাসানের কাছে একটি লিখিত স্মারকলিপি প্রদান করে।
জাতীয় ছাত্রশক্তি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক ফয়সাল মুরাদ ও সদস্য সচিব মো. শাহীন মিয়া স্বাক্ষরিত স্মারকলিপিতে বলা হয়, মাত্র ২৪ দিনের ব্যবধানে জকসু নির্বাচন আয়োজন বাস্তবসম্মত ও যৌক্তিক নয়। তাই ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে, বিশেষ করে সোমবার বা মঙ্গলবার নির্বাচন গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
এছাড়া ভোটারদের সর্বোচ্চ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে সরকারি ছুটি কিংবা তার নিকটবর্তী সময়ে ভোট না করার অনুরোধ জানায় সংগঠনটি। স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।